নতুন ওয়েবসাইটে লগইন করুন!
নতুন ওয়েবসাইটে লগইন করুন!
পড়ার গতি এবার বাড়বে ১০গুন বেশি। লাইভ ক্লাস, ডাউট, পরীক্ষা সবই পাবে আরো সহজে। এখনি নতুন ওয়েবসাইটে লগইন করো।
লগইন করুন

বরগুনা জেলা | Barguna District

Created by I Education in ৬৪ জেলা 12 Jun 2024
Share

বরগুনা জেলা | Barguna District | iEducation 

বরগুনা জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। ২০০৭ সালে ঘূর্ণিঝড় সিডর-এর আঘাতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা। এ জেলার ব্র্যান্ডিং স্লোগান হলো: 

“Barguna, The Land of Coastal Beauty” 

এ জেলার নামকরণ সম্পর্কে যতদূর জানা যায় তা হলো: উত্তরাঞ্চলের কাঠ ব্যবসায়ীরা এতদ্ঞ্চলে কাঠ নিতে এসে খরস্রোতা খাকদোন নদী অতিক্রম করতে গিয়ে অনুকূল প্রবাহ বা বড় গোনের জন্য এখানে অপেক্ষা করত বলে এ স্থানের নাম বড় গোনা। কারো মতে আবার স্রোতের বিপরীতে গুন(দড়ি) টেনে নৌকা অতিক্রম করতে হতো বলে এ স্থানের নাম বরগুনা । কেউ কেউ বলেন , বরগুনা নামক কোন প্রতাপশালী রাখাইন অধিবাসীর নামানুসারে বরগুনা । আবার কারো মতে বরগুনা নামক কোন এক বাওয়ালীর নামানুসারে এ স্থানের নামকরণ করা হয় বরগুনা।


বরগুনা জেলার মোট আয়তন ১,৮৩১ বর্গ কিলোমিটার এবং সড়কপথে ঢাকা থেকে এ জেলার দূরত্ব প্রায় ২৭০ কিলোমিটার। এ জেলার দক্ষিণে পটুয়াখালী ও বঙ্গোপসাগর, উত্তরে ঝালকাঠি, বরিশাল, পিরোজপুর ও পটুয়াখালী; পূর্বে পটুয়াখালী এবং পশ্চিমে পিরোজপুর ও বাগেরহাট জেলা অবস্থিত।


বরগুনা থানা গঠিত হয় অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষদিকে এবং মহকুমায় উন্নীত হয় ১৯৬৯ সালে। আবার এ মহকুমাকে জেলায় রূপান্তর করা হয় ১৯৮৪ সালে।


মুক্তিযুদ্ধের সময় বরগুনা জেলা ৯নং সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিলো এবং ৩রা ডিসেম্বর এ জেলা হানাদারমুক্ত হয়। বরগুনা জেলা ৬টি উপজেলা, ৬টি থানা, ৪টি পৌরসভা ও ১০৯ ও ১১০ নাম্বার সংসদীয় আসন নিয়ে গঠিত। এ জেলার উপজেলাগুলো হলো:

আমতলী, তালতলী, পাথরঘাটা, বরগুনা সদর, বামনা ও বেতাগী উপজেলা। 


বরগুনা জেলা নারিকেল ও সুপারির জন্য বিখ্যাত। এছাড়াও বরগুনার বিখ্যাত খাবার - চুইয়া পিঠা, চ্যাবা পিঠা, মুইট্টা পিঠা, আল্লান, বিসকি, তালের মোরব্বা, শিরনি, নাড়িকেলের সুরুয়া, চালের রুটি, ইলিশ মাছ, মিষ্টি ইত্যাদি।


এ জেলার উল্লেখযোগ্য জলাশয়ের মধ্যে আছে: বিশখালী, বলেশ্বরী, বুড়ীশ্বর, আন্ধারমানিক ও গজালিয়া ইত্যাদি।


বরগুনা এর অর্থনীতি কৃষিনির্ভর। প্রধান শস্য ধান, চিনাবাদাম, সরিষা, সূর্যমুখী ও বিভিন্ন ধরনের ডাল। 


২০২২ সালের জনশুমারী ও গৃহগণনা প্রতিবেদন অনুযায়ী এ জেলার জনসংখ্যা প্রায় ১০,১০,৫৩০ জন এবং সাক্ষরতার হার ৮০.৪৯%। এ জেলার উল্লেখযোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে:

আমতলি সরকারি কলেজ,

বরগুনা সরকারী কলেজ, 

বরগুনা সরকারী মহিলা কলেজ, 

বরগুনা জিলা স্কুল,

বরগুনা গার্লস হাই স্কুল, 

ফুলঝুড়ি স্কুল এন্ড কলেজ, 

গৌরিচন্না নবাব সলিমুল্লাহ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ইত্যাদি।


এ জেলার উল্লেখযোগ্য ও দর্শনীয় স্থানের মধ্যে রয়েছে: 

বিবিচিনি শাহী মসজিদ (বেতাগী), 

তালতলী বৌদ্ধ মন্দির;

বৌদ্ধ একাডেমি;

লালদিয়া সমুদ্রসৈকত;

সোনাকাটা সমুদ্র সৈকত; 

সোনাকাটা ইকোপার্ক;

ফাতরার বন;

আমতলী হার্ড পয়েন্ট;

বাইনচটকির চর - হরিণের অভয়ারন্য;

সোনারচর;

হরিণ ঘাটার বনভূমি;

কাউনিয়ার খান বাড়ি;

দেবী কুলাম সিং এর মন্দির;

বিহঙ্গ দ্বীপ বা ধানসিড় চর;

শুভ সন্ধ্যা সমুদ্র সৈকত ইত্যাদি।


এ জেলার কিছু উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে:

শাহজাদা আবদুল মালেক খান (১৯২৫ - ১ এপ্রিল ২০০৭) - সাবেক শিল্প প্রতিমন্ত্রী;

অধ্যাপক মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান - উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়;

মীর সাব্বির - অভিনেতা, পরিচালক ও উপস্থাপক;

অধ্যাপক সৈয়দ ফজলুল হক - বাংলাদেশের সর্বপ্রথম ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ প্রমুখ।


এ জেলা থেকে বিভিন্নধরনের দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এর মধ্যে কয়েকটি হলো: দৈনিক: দ্বীপাঞ্চল, সৈকত সংবাদ; পাক্ষিক: বরগুনা; সাপ্তাহিক: বরগুনা কণ্ঠ, বরগুনা বার্তা ইত্যাদি। 

Comments (0)

Share

Share this post with others

লগইন করুন বেস্ট সার্ভিস সমৃদ্ধ নতুন ওয়েবসাইটে!

লগইন করুন বেস্ট সার্ভিস সমৃদ্ধ নতুন ওয়েবসাইটে!

তোমাদের ক্লাস করার গতি আরো বহুগুনে বেড়ে যাবে এবার। একই সাথে সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তি ও কমে যাবে বহুগুনে।